“মায়ের হাতের রান্না, আধুনিক বাঙালিয়ানার ছোঁয়ায়”
২০১৮ সালে দুর্গাপুরের একটি ছোট ঘর থেকে যাত্রা শুরু। স্বপ্ন ছিল একটাই — বাঙালির ঘরোয়া স্বাদকে প্রাত্যহিক খাদ্যরসিকদের পাতে পৌঁছে দেওয়া। আজ ‘এপার বাংলা ওপার বাংলা’ শুধু রেস্তোরাঁ নয়, এটি এক অনুভূতি।
আমাদের শেফরা প্রতিটি পদে বজায় রাখেন প্রাচীন রন্ধনশৈলী, সঙ্গে যুক্ত করেন নতুন মাত্রা। প্রতিটি থালায় আমরা রাখি ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং বাংলার বৈচিত্র্য।
প্রত্যেক পদে ব্যবহৃত হয় খাঁটি পাঁচফোড়ন, যা বাঙালি রান্নার প্রাণ। শাক থেকে মাছ, মাংস থেকে ডাল— সর্বত্র এই মশলার মায়া।
বাংলার গ্রামীণ রান্নার প্রধান দুটি উপকরণ নারকেল ও পোস্ত। আমাদের পোস্তর বড়া, নারকেলের চাটনি ঘরোয়া স্বাদের স্মৃতি জাগায়।
পদ্মার ইলিশ, বাগদার চিংড়ি— আমাদের মেনুর মূল আকর্ষণ। শর্ষে, দই, নারকেলের পাল্টা পদে আমরা তুলে আনি নদীর টাটকা স্বাদ।
পেশায় অর্থনীতিবিদ, মনে প্রাণে বাঙালি রাঁধুনি। ঠাকুমার হাতের রেসিপি সংগ্রহ করে তিনি তৈরি করেছেন আমাদের মেনুর ভিত্তি।
কলকাতার নামী হোটেলে কাজ করা শেফ সৌম্যদীপ এখন মগ্ন আধুনিক বাঙালি ফিউশন তৈরিতে, কিন্তু ঐতিহ্যের সঙ্গে আপসহীন।
আতিথেয়তা যেন রক্তে। স্নেহাশিসের দর্শন— প্রতিটি গ্রাহক যেন রান্নাঘরের অতিথি। তাঁর টিম নিশ্চিত করে ঘরের আবহ।
রসগোল্লা, সন্দেশ, পান্তুয়া— তিনি তৈরি করেন বাঙালির প্রিয় মিষ্টি। তাঁর হাতের তৈরি নাড়ুর গন্ধই বল দেয় পুজোর টিফিনে।