Durgapur, West Bengal +91 62962 20830 mail@eparbangla.com
বুক এখনই

আমাদের গল্প এপার বাংলা ওপার বাংলা

“মায়ের হাতের রান্না, আধুনিক বাঙালিয়ানার ছোঁয়ায়”

॥ শুভম ভবতু ॥

আমরা কেমন করে এলাম

২০১৮ সালে দুর্গাপুরের একটি ছোট ঘর থেকে যাত্রা শুরু। স্বপ্ন ছিল একটাই — বাঙালির ঘরোয়া স্বাদকে প্রাত্যহিক খাদ্যরসিকদের পাতে পৌঁছে দেওয়া। আজ ‘এপার বাংলা ওপার বাংলা’ শুধু রেস্তোরাঁ নয়, এটি এক অনুভূতি।

“বাঙালির রান্না মানেই মায়ের হাতের মায়া, যত্ন আর শস্যভাণ্ডারের আশীর্বাদ। আমাদের প্রতিটি পদে আমরা ফিরিয়ে আনতে চাই শৈশবের সেই টাটকা গন্ধ— ধোঁয়া ওঠা লুচি, আলুর দম, শর্ষে ইলিশ, আর পোস্তর বড়া। আমরা বিশ্বাস করি, খাবার হল পরম্পরা, আবেগ আর শিকড়ের টান। তাই প্রতিটি মশলা, প্রতিটি পাঁচফোড়ন আমরা ব্যবহার করি মায়ের রেসিপির মতোনই, শুধু সাজিয়ে পরিবেশন করি আধুনিকতার ছোঁয়ায়।”

আমাদের শেফরা প্রতিটি পদে বজায় রাখেন প্রাচীন রন্ধনশৈলী, সঙ্গে যুক্ত করেন নতুন মাত্রা। প্রতিটি থালায় আমরা রাখি ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং বাংলার বৈচিত্র্য।

Bengali Thali

আমাদের ঐতিহ্য

🍛

পাঁচফোড়নের গন্ধ

প্রত্যেক পদে ব্যবহৃত হয় খাঁটি পাঁচফোড়ন, যা বাঙালি রান্নার প্রাণ। শাক থেকে মাছ, মাংস থেকে ডাল— সর্বত্র এই মশলার মায়া।

“পাঁচ ফোড়ন পাঁচ রঙের প্রতীক”
🥥

নারকেল ও পোস্ত

বাংলার গ্রামীণ রান্নার প্রধান দুটি উপকরণ নারকেল ও পোস্ত। আমাদের পোস্তর বড়া, নারকেলের চাটনি ঘরোয়া স্বাদের স্মৃতি জাগায়।

“পোস্তর গন্ধে বাঙালির প্রাণ জুড়ায়”
🐟

ইলিশ ও চিংড়ি

পদ্মার ইলিশ, বাগদার চিংড়ি— আমাদের মেনুর মূল আকর্ষণ। শর্ষে, দই, নারকেলের পাল্টা পদে আমরা তুলে আনি নদীর টাটকা স্বাদ।

“মাছে ভাতে বাঙালি, তাতেই আমাদের প্রাণ”

পরিচালনায় তিনি ও তাঁরা

যাঁদের হাত ধরে এই স্বাদ বাংলার ঘরে ঘরে পৌঁছয়

অর্পিতা মুখোপাধ্যায়

প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী

পেশায় অর্থনীতিবিদ, মনে প্রাণে বাঙালি রাঁধুনি। ঠাকুমার হাতের রেসিপি সংগ্রহ করে তিনি তৈরি করেছেন আমাদের মেনুর ভিত্তি।

“মায়ের হাতের রান্না, শহুরে আয়োজন”
সৌ

সৌম্যদীপ ঘোষ

শেফ ও মেন্যু কিউরেটর

কলকাতার নামী হোটেলে কাজ করা শেফ সৌম্যদীপ এখন মগ্ন আধুনিক বাঙালি ফিউশন তৈরিতে, কিন্তু ঐতিহ্যের সঙ্গে আপসহীন।

“পাতে পড়ুক বাংলার ইতিহাস”
স্নে

স্নেহাশিস পাল

পরিচালন ও অতিথি সেবা

আতিথেয়তা যেন রক্তে। স্নেহাশিসের দর্শন— প্রতিটি গ্রাহক যেন রান্নাঘরের অতিথি। তাঁর টিম নিশ্চিত করে ঘরের আবহ।

“আপ্যায়ণেই আনন্দ”
দী

দীপান্বিতা চক্রবর্তী

মিষ্টান্ন শিল্পী

রসগোল্লা, সন্দেশ, পান্তুয়া— তিনি তৈরি করেন বাঙালির প্রিয় মিষ্টি। তাঁর হাতের তৈরি নাড়ুর গন্ধই বল দেয় পুজোর টিফিনে।

“মিষ্টি ছাড়া বাঙালি অধরা”

“বাঙালির প্রাণের কথা, পাতে পড়ুক এলাহি করে”

– এপার বাংলা ওপার বাংলা পরিবার